পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আসন্ন যুদ্ধবিরতি আলোচনাকে ঘিরে প্রত্যাশা খুবই সীমিত, এমনকি বৈঠকটি নাও হতে পারে। আলোচনাগুলো তেহরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে এগোবে, যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৫ দফা পরিকল্পনার পরিবর্তে গৃহীত হয়েছে। এই ব্যবস্থায় ইরান হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে এবং জাহাজ চলাচল থেকে ফি আদায় অব্যাহত রাখবে, যা ওয়াশিংটনের একটি বড় ছাড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরান সরকার যুদ্ধবিরতিকে বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করলেও, নিরাপত্তা মহলের কিছু অংশ মনে করছে এটি প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করতে পারে। তেহরানের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রণালীর নিয়ন্ত্রণের স্বীকৃতি, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমোদন, সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, মার্কিন বাহিনীর প্রত্যাহার এবং লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলের অভিযান বন্ধ করা। এসব শর্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সম্পূর্ণভাবে মেনে নেওয়া কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে।
আলোচনা ব্যর্থ হলেও, উভয় পক্ষই পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ এড়িয়ে একটি নাজুক ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে ইরান আঞ্চলিক বাণিজ্যপথে প্রভাব ধরে রাখবে, যা এক ধরনের অস্থির কিন্তু স্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।