ঢাকায় রিকশাচালক, সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দৈনিক মজুরির কর্মীরা আয় কমে যাওয়া, পণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ার কারণে তীব্র চাপে পড়েছেন। ১৪ আগস্ট মৌচাকে রিকশাচালক ইব্রাহিম মিঞা জানান, খরচ বাদে এখন দিনে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা থাকে; আগে থাকত ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। লালমাটিয়ার একটি স্টেশনে গ্যাসের অপেক্ষায় দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার কথা বলেন সিএনজিচালক রইদুল।
সাক্ষাৎকার দেওয়া শ্রমজীবীরা বলেন, খাবার, বাসাভাড়া, সন্তানের পড়াশোনা ও চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। মহাজনের অটোরিকশা চালানো রইদুল গ্যাস সংকটের কারণে প্রতিদিনের জমা নিয়মিত দিতে না পেরে গ্যারেজ মালিকের কাছে দেনা বাড়ার কথা জানান। লোকসানে দোকান বন্ধ করে জিল্লুর রহমান এখন দৈনিক ৪০০ টাকায় কাজ করেন। ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা আরিফ ইসলাম বলেন, পণ্যের দাম বাড়ায় বিক্রি কমেছে।
বিবিএসের ২০১৭ সালের শ্রমশক্তি জরিপে দেশের ৬ কোটি ৮ লাখ কর্মজীবীর প্রায় ৮৫ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত ছিল। গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপতি তাসলিমা আখতার বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও নিম্নআয়ের মানুষের আয় প্রত্যাশিত হারে বাড়ছে না। তিনি শ্রমিকের নিরাপত্তা ও জীবনমান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকার আহ্বান জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।