ইয়েমেনের হুথি বাহিনীর বিরুদ্ধে স্থানীয় মিত্রদের সহায়তায় নতুন অভিযান শুরু করেছে সৌদি আরব, যার নাম ‘ইয়েমেনের ভোর’। ইয়েমেন থেকে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে আঘাত হানার মধ্যে দেশটি আবার সংঘাতে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ছে। গ্রীষ্মে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ নতুন করে তীব্র হওয়ার পর গত মাসে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। সৌদি তথ্য অনুযায়ী, এ সপ্তাহে হুথি হামলায় কয়েকটি বিমানবন্দর আক্রান্ত হয়ে সৌদি পাইলটসহ অন্তত তিনজন নিহত হন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কৌশলগত ভুল, ইয়েমেনি মিত্রদের সঙ্গে দুর্বল সমন্বয় এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্কের ভাঙন রিয়াদকে নতুন সংকটে ফেলেছে। সৌদি আরবের দাবিতে আমিরাত সেনা প্রত্যাহারের পর আমিরাত-সমর্থিত যোদ্ধারা নেতৃত্বের শূন্যতার কথা বলেছেন। হুথি হামলায় সৌদি তেল স্থাপনা ও পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং তেলের দাম বেড়েছে।
মার্কিন সামরিক সহায়তা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে সৌদি আরব অন্য দেশের সহযোগিতা চাইছে। ফ্রান্স সামরিক সদস্য ও প্রতিরক্ষাসংশ্লিষ্ট সম্পদ মোতায়েনে সম্মত হয়েছে এবং যুক্তরাজ্য আকাশে জ্বালানি সরবরাহের জন্য বিমান পাঠানোর কথা জানিয়েছে। রিয়াদে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সম্মিলিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সক্রিয় করতে একমত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাইরের সহায়তা একা ইয়েমেনের বিভক্ত সংঘাতের সমাধান করবে না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।