এশিয়া টাইমস অবলম্বনে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতের পরাশক্তি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা সক্ষমতা গঠনের চেয়ে ভাবমূর্তি নির্মাণের ওপর বেশি নির্ভরশীল। এতে ভারত ও চীনের অর্থনৈতিক অগ্রগতির তুলনা করে বলা হয়, ২০১০ থেকে ২০২৫ সালে দুই দেশের জিডিপির ব্যবধান বেড়েছে; চীনের জিডিপি ১৯ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার এবং ভারতের ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষণটি ২০২৫ সালের লোয়ি ইনস্টিটিউট এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্সের উল্লেখ করে বলেছে, সামগ্রিক ক্ষমতায় ভারত এশিয়ায় তৃতীয় হলেও তার সম্পদ ও সামর্থ্যের তুলনায় আঞ্চলিক প্রভাব কম। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ১ কোটি ৮৫ লাখের বেশি ভারতীয় বিদেশে বাস করেন এবং ২০২৫ সালে ভারত প্রায় ১৫০ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় পেয়েছে। প্রবাসীদের সাফল্যকে ভারতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে দেখার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
এআইকে প্রযুক্তিগত শক্তির গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে তুলে ধরে নিবন্ধে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে অনুমোদিত এআই পেটেন্টের প্রায় ৭৪ দশমিক ২ শতাংশ ছিল চীনের, আর ভারতের অংশ ছিল শূন্য দশমিক ৪০ শতাংশ। বিশ্লেষণটির বক্তব্য, বিদেশে মেধার সাফল্যের ওপর নির্ভর না করে দেশে বিশ্বমানের প্রযুক্তি নির্মাণের সক্ষমতা বাড়ানো ভারতের জন্য জরুরি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।