দেশের ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার ‘মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগ থেকে প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, নতুন এই আইনে ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতারা এখন থেকে ব্যাংকের গ্রাহক ছাড়াও মালিক হিসেবে অংশীদার হবেন। ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন হবে ৫০০ কোটি টাকা এবং প্রারম্ভিক পরিশোধিত মূলধন হবে অন্তত ২০০ কোটি টাকা, যার ৬০ শতাংশ মালিকানা থাকবে সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের হাতে।
অধ্যাদেশে ব্যাংকটিকে একটি ‘সামাজিক ব্যবসায়’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যেখানে অর্জিত মুনাফা ব্যক্তিগত লভ্যাংশ হিসেবে নয়, বরং সামাজিক ও দারিদ্র্য বিমোচন খাতে পুনঃবিনিয়োগ করতে হবে। নয় সদস্যের পরিচালনা বোর্ডে চারজন থাকবেন ঋণগ্রহীতা শেয়ারহোল্ডারদের মধ্য থেকে নির্বাচিত, তিনজন মনোনীত, দুইজন স্বতন্ত্র পরিচালক এবং একজন ভোটাধিকারবিহীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ব্যাংকটি আত্মকর্মসংস্থান, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কারিগরি সহায়তা প্রদানে কাজ করবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে এবং প্রয়োজনে পরিচালনা বোর্ড বাতিল বা পরিচালক অপসারণের ক্ষমতা রাখবে। সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।