বগুড়ায় ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনায় ২০৬ জন নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। ১৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরাঞ্চলের অন্তত ১১ জেলার যানবাহন বগুড়ার ওপর দিয়ে চলাচল করায় জেলার মহাসড়কগুলো দিনরাত ব্যস্ত থাকে। এ সময় গড়ে প্রতি মাসে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তুলনায় ২০২৫ সালে জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহতের সংখ্যা ছিল ১২০ জন।
দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী ও তরুণ রয়েছেন; অতিরিক্ত গতিতে মোটরসাইকেল চালানোকে তাদের দুর্ঘটনার বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। শেরপুরের ঘোগা ব্রিজ ও ধুনট মোড়, নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড ও কুন্দারহাট, শাজাহানপুরের কয়েকটি এলাকা, সদর এলাকার চারমাথা-তিনমাথাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে ধাক্কা, বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ এবং মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও নসিমন দুর্ঘটনার কথা বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বেপরোয়া গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, অনভিজ্ঞ চালক, ফিটনেসবিহীন গাড়ি, অবৈধ পার্কিং, ঘুমহীন অবস্থায় চালনা ও ট্রাফিক আইন অমান্যকে প্রধান কারণ বলেছেন। নিরাপদ সড়ক চাইয়ের বগুড়া শাখা সচেতনতা ও ট্রাফিক সহায়তা কার্যক্রম চালানোর কথা জানিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের মোটরসাইকেল চালানো বন্ধ না হলে দুর্ঘটনা কমবে না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।