বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী জুলাই অভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে আমার দেশ। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রথম এক বছরে সরাসরি কারও সাক্ষাতের তথ্য জানা যায়নি। তবে পরে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা ছোট ছোট দলে দিল্লিতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে মাঝে মাঝে দেখা করছেন।
বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংগঠনটির এক নেতা বলেন, আত্মগোপনে থাকার প্রথম কয়েক মাস বা প্রায় এক বছর অনিশ্চয়তা ও ট্রমার মধ্যে কাটলেও পরে তারা পুরোদমে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন। পলাতক সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, গত দুই বছর কারাগারের বাইরে থাকা নেতারা দলকে গুছিয়ে নেওয়ার কাজ করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ও সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ এবং প্রতিবেদন পাঠানোর কাজের কথাও উল্লেখ করেন।
নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, দেশে থাকা নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, কমিটি পুনর্গঠন, চলমান মামলায় সহায়তা এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণার কাজ চলছে। তিনি দেশে ফেরার জন্য মানসিক ও পারিবারিক প্রস্তুতির কথা জানিয়ে বলেন, রোডম্যাপ তৈরি আছে এবং তারা সময়সূচির অপেক্ষায়। শেখ হাসিনাও বুধবার দেশে ফেরার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন, তবে কবে বা কীভাবে ফিরবেন তা জানাননি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।