Web Analytics

প্রায় ১৩ বছরে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পর গাজীপুর-এয়ারপোর্ট বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকার সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সরকার গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি প্রকল্পের নকশায় গুরুতর ত্রুটি, ভুল পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়হীনতা চিহ্নিত করেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কার্যক্রম স্থগিত হওয়ার পর করিডরটি এখন সাধারণ সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক শামছুল হকের নেতৃত্বাধীন কমিটি প্রকল্পটিকে বিআরটি হিসেবে না দেখে সাধারণ সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রম হিসেবে বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটিকে দ্বিতল এক্সপ্রেস হাইওয়েতে রূপান্তর বা সার্ভিস লেনসহ টোল সড়ক করার বিকল্প রয়েছে। কর্মকর্তারা বলেছেন, ডান দিক দিয়ে বাস চলাচলের পরিকল্পনা বাংলাদেশের প্রচলিত চালনা-পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

কর্মকর্তাদের হিসাবে, এক্সপ্রেস হাইওয়েতে রূপান্তরে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা লাগতে পারে। অপ্রয়োজনীয় স্থাপনা ভেঙে আগের অবস্থায় নিতে ব্যয় হতে পারে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি। ঢাকা বিআরটি পিএলসি বাতিল করে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনে কার্যক্রম নেওয়ার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। মন্ত্রিসভায় আলোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।