আমার দেশ-এর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র উদঘাটনে নতুন কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে হামলায় জিয়াউর রহমান নিহত হন। সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেন গ্রেপ্তারের পর ঘটনাটি আবার আলোচনায় আসে এবং সহযোগী ডেইলি স্টার দীর্ঘদিন অপ্রকাশিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
১৯৮১ সালের ৬ জুন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার সাবেক প্রধান বিচারপতি রুহুল ইসলামের নেতৃত্বে কমিশন গঠন করেন। শুরুতে কমিশনের দায়িত্বে হত্যাকাণ্ড ষড়যন্ত্রের ফল কি না এবং জড়িতদের শনাক্তের বিষয় ছিল। তবে ১৩ জুনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে এ অংশ বাদ দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে কমিশন নিরাপত্তাব্যবস্থা, দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ও কর্মকর্তাদের ব্যর্থতা এবং লাশ সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা পর্যালোচনা করে।
প্রতিবেদনে কমিশনের পর্যবেক্ষণ হিসেবে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতার কথা বলা হয়েছে। কমিশন ৬২ জনের সাক্ষ্য নেয় এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের এক বা একাধিক ব্যক্তির কারণে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায়। চট্টগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দিন এম চৌধুরীও সত্য উদঘাটনের জন্য নতুন কমিশনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।