চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে গত ৩৫ বছরেও কোনো স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ হয়নি। ফলে তিন লক্ষাধিক উপকূলবাসী এখনো ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ধ্বংস হওয়া প্রায় ৩৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এখনো পুনর্নির্মাণ হয়নি। সম্প্রতি সরকার ৪৫৩ কোটি টাকার বরাদ্দ দিলেও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, কাজের মান খারাপ এবং অনিয়ম চলছে, যার ফলে বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে।
খানখানাবাদ, কদমরসুল, ছনুয়া, বড়ঘোনা, গন্ডামারা ও প্রেমাশিয়া এলাকায় প্রতি বর্ষায় লবণাক্ত পানি ঢুকে ফসল ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি করছে। স্থানীয় নেতারা স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে বলেছেন, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় উপকূলবাসী এখনো অসহায়। কৃষি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও লবণাক্ততার কারণে কৃষিজমি, সুপেয় পানি ও মৎস্যচাষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বাঁশখালীর সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম সরেজমিনে পরিদর্শন করে অনিয়ম বরদাস্ত না করার ঘোষণা দেন এবং ঠিকাদারদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী কাজ সম্পন্নের আহ্বান জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।