Web Analytics

বিতর্কিত আগাছানাশক ডাইকাম্বার নিয়ম তৈরির সময় জার্মান রাসায়নিক প্রতিষ্ঠান বায়ারকে প্রস্তাবিত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার কয়েকটি বিকল্প থেকে পছন্দ করার সুযোগ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা ইপিএ। চলমান মামলার নথিতে প্রকাশ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব বিকল্পে ডাইকাম্বা বাতাসে উড়ে অন্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়া এবং পানির সঙ্গে ধুয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমানোর বিষয় ছিল। বায়ারের পছন্দের কয়েকটি ব্যবস্থা পরে ইপিএর প্রস্তাবিত ফেডারেল নিয়মে যুক্ত হয়।

নথি বলছে, একটি ক্ষেত্রে বায়ার তুলনামূলক কম সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা এবং অন্য ক্ষেত্রে তিনটির মধ্যে মাঝারি মাত্রার ব্যবস্থা বেছে নেয়। সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি এ প্রক্রিয়ার সমালোচনা করেছে। তবে ইপিএ অভিযোগ নাকচ করে বলেছে, প্রস্তুতকারীরা ঝুঁকি কমানোর প্রস্তাব দিতে পারে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারা নেয় না এবং ইপিএ নিজস্ব নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও তৈরি করে।

২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন অনুমোদনের পর ডাইকাম্বার ছড়িয়ে পড়া নিয়ে অভিযোগ ও আইনি লড়াই চলেছে। আদালত দুবার এটিকে বাজার থেকে সরানোর নির্দেশ দিলেও ইপিএ পরে আবার অনুমোদন দেয়। পরিবেশ ও খাদ্যনিরাপত্তা সংগঠনগুলোর অভিযোগ, বর্তমান অনুমোদনে আগের তুলনায় সুরক্ষা কম। তবে প্রকাশিত নথি বায়ারের পছন্দই চূড়ান্ত নিয়ম নির্ধারণ করেছে, তা সরাসরি প্রমাণ করে না।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।