পূর্ব ইউক্রেনে রুশ অবস্থানের দিকে ৬৬ পাউন্ড বিস্ফোরক বহনকারী রিমোট নিয়ন্ত্রিত রোবট পাঠানো হচ্ছে, যেগুলোকে সহায়তা করছে আকাশে উড়ন্ত ড্রোন। ড্রোনগুলো আগে বোমা ফেলে পথ পরিষ্কার করে, এরপর একটি রোবট শত্রুর কাছাকাছি গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায় এবং বাকিগুলো পেছনে থেকে পর্যবেক্ষণ চালায়। গত গ্রীষ্মে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, ইউক্রেন কীভাবে যুদ্ধের নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করছে, এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির নেতারা।
সেনাস্বল্পতার কারণে কিয়েভ আত্মরক্ষার বিকল্প হিসেবে ড্রোন ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের ব্যবহার বাড়াচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, খারকিভ অঞ্চলে গত বছরের হামলা প্রমাণ করেছে যে ইউক্রেন এখন স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়েই রাশিয়ার অবস্থান দখল করতে সক্ষম। যদিও স্থল রোবট সাধারণত রসদ সরবরাহ ও চিকিৎসা উদ্ধার কাজে ব্যবহৃত হয়, ইউক্রেন এখন এগুলো আক্রমণাত্মক অভিযানে ব্যবহার করছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, মার্চ মাসে ইউক্রেনীয় সেনারা বিস্ফোরক, মেশিনগান ও রকেট সজ্জিত ড্রোন দিয়ে ৯ হাজারের বেশি অভিযান চালিয়েছে। স্থল রোবটগুলো ধীরগতির ও সহজে দৃশ্যমান হলেও এগুলো বেশি বিস্ফোরক বহন করতে পারে, যদিও শত্রুর গুলিতে ধ্বংস হওয়ার ঝুঁকি বেশি এবং প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কার্যক্ষমতা হারায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।