জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আয়োজিত গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা সেমিনার সিরিজের দ্বিতীয় পর্বে বক্তারা বলেছেন, স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে বর্তমান পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে একই ধরনের বয়ান ব্যবহার করছে। সোমবার অনুষ্ঠিত এ সেমিনারের প্রতিপাদ্য ছিল স্বাধীনতার পর গঠিত বিতর্কিত জাতীয় রক্ষীবাহিনী।
বক্তাদের মতে, আত্মরক্ষা এবং অস্ত্র উদ্ধারে গুলির বক্তব্য দিয়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তারা বলেন, বাহিনীগুলো আত্মরক্ষা ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকে প্রায় সমার্থক করে ফেলেছে, যা বিদ্যমান ফৌজদারি আইনের দুর্বলতা প্রকাশ করে। মূল বক্তব্য ও মুক্ত আলোচনার পর সভাপতির বক্তব্য দেন জাদুঘরের মহাপরিচালক এহ্সান মাহমুদ।
এহ্সান মাহমুদ বলেন, স্বাধীনতার পরপরই সাধারণ মানুষের কাছে রক্ষীবাহিনী ও বাকশাল ছিল অত্যন্ত ভীতিকর দুটি শব্দ। তিনি জানান, বাংলাদেশের নানা ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে কাজ হলেও ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের শাসনকাল নিয়ে মানসম্মত গবেষণা ও দলিলপত্রের ঘাটতি রয়েছে। আয়োজকেরা জানান, শিক্ষক, গবেষক, আইনজীবী, শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে সেমিনার সিরিজের পরবর্তী পর্বগুলো ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।