পাবলিক পলিসি বিশেষজ্ঞ ড. ইউসুফ জারিফ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক লেখায় বলেন, বাংলাদেশের সেক্যুলার বুদ্ধিজীবী শ্রেণি উদ্দেশ্যমূলকভাবে ‘প্রগতিশীল’ ও ‘অসাম্প্রদায়িক’ শব্দ ব্যবহার করে ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রান্তিক করছে এবং ইসলামবিদ্বেষকে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিণত করেছে। তার মতে, এ শ্রেণি সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করে যুক্তিনির্ভর আলোচনা বাধাগ্রস্ত করছে। ২০২৪ সালের আগস্টের পর কিছু পরিবর্তন এলেও ইসলামবিষয়ক আলোচনায় কাঠামোগত বৈষম্য এখনো রয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, পশ্চিমা অর্থায়নপুষ্ট সিভিল সোসাইটি ও এনজিওগুলোর সহায়তায় দেশীয় এলিট শ্রেণি একটি ইসলামবিদ্বেষী জোট গঠন করেছে, যা আগস্ট বিপ্লব-পরবর্তী সংস্কার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করছে। জারিফের মতে, এ জোট প্রথাগত ব্যক্তিপূজাভিত্তিক রাজনীতিকে শক্তিশালী করছে এবং ইনসাফভিত্তিক নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান রোধ করছে।
তার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে মুসলিম পরিচয়কে জাতীয়তার কেন্দ্রে স্থাপন করে সাংস্কৃতিক ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। সুশাসন, জবাবদিহিতা ও স্বাধীন নীতিনির্ধারণের ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য প্রয়োজন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।