পাট অধিদপ্তরের সব কার্যালয়কে শতভাগ তামাকমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ মো. নূরুল বাসির। মঙ্গলবার পাট অধিদপ্তরের সভাকক্ষে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। সব অফিসের দৃশ্যমান স্থানে ‘নো-স্মোকিং’ সাইনেজও স্থাপন করা হবে।
সভায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন জানায়, দেশে প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর ৩৫.৩ শতাংশ তামাক ব্যবহার করে এবং তামাকজনিত রোগে বছরে প্রায় দুই লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। প্রায় চার কোটি অধূমপায়ী পরোক্ষ ধূমপানের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। ২০২৪ সালে তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, বিপরীতে সরকারের রাজস্ব ছিল ৪১ হাজার কোটি টাকা।
অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, সরকারি-বেসরকারি অফিস ও জনসমাগমস্থল ধূমপানমুক্ত রাখলে অধূমপায়ীরা সুরক্ষা পাবেন এবং ধূমপায়ীদের তামাক ছাড়ার প্রবণতা বাড়বে। মহাপরিচালক বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্রিয় সহযোগিতা দরকার এবং জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য তামাকমুক্ত কর্মপরিবেশ জরুরি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।