Web Analytics

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল হওয়ার পর ইরান তেল রপ্তানিতে গতি বাড়িয়েছে। এতে দেশটি নতুন ক্রেতা খুঁজে নেওয়া ও রাজস্ব আয় করার জন্য ৬০ দিনের সময়সীমা পেয়েছে। ব্লুমবার্গের তথ্যমতে, অন্তত সাত দিন ধরে এশিয়ার বিভিন্ন সমুদ্রসীমায় ২ কোটিরও বেশি ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল ভাসমান অবস্থায় রয়েছে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি। ভর্টেক্সা ও ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর ইরানের সাগরে থাকা মোট তেলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৮০ লাখ থেকে ৬ কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল।

এই ভাসমান তেলের প্রায় ৯০ শতাংশের কোনো নিশ্চিত গন্তব্য নেই। অনেক জাহাজ আদেশের অপেক্ষায় বা সিঙ্গাপুরকে অস্থায়ী গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেছে, যা সাধারণত মালাক্কা প্রণালিতে জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের সময় ব্যবহৃত হয়। গত জুনে একটি অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় এবং বন্দর অবরোধের অবসান ঘটায়।

ইরান জানিয়েছে, মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার পর থেকে তারা ইতিমধ্যে ৪ কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেল বিভিন্ন দেশে পাঠিয়েছে, যা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় প্রভাব বাড়াতে পারে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।