Web Analytics

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ৯৭ শতাংশ মানুষ নিয়মিত গোশত খান, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। এর পরেই রয়েছে লিথুয়ানিয়া ও ব্রাজিল, যেখানে ৯৬ শতাংশ মানুষ গোশত খায়। অপরদিকে, বাংলাদেশ মাথাপিছু গোশত খাওয়ার দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। ওইসিডি’র তথ্যমতে, বাংলাদেশে একজন মানুষ বছরে গড়ে মাত্র ০.৯ কেজি গরুর গোশত এবং ১.৩৬ কেজি পোল্ট্রি মুরগির গোশত খান, যার বেশিরভাগই ঈদুল আযহা উপলক্ষে খাওয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৬০-এর দশক থেকে বিশ্বে গোশত উৎপাদন পাঁচগুণ বেড়েছে, যার পেছনে জনসংখ্যা ও আয় বৃদ্ধিই প্রধান কারণ। ধনী দেশগুলোতে গোশত খাওয়া বেশি হলেও দরিদ্র দেশগুলোতে এটি এখনো বিলাসবহুল খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। আফ্রিকার ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া ও তাঞ্জানিয়ার মতো দেশেও খাওয়ার হার খুব কম।

যদিও ইউরোপ ও আমেরিকায় অনেকেই গোশত খাওয়া কমানোর কথা বলছেন, পরিসংখ্যান বলছে খাওয়ার পরিমাণ স্থিতিশীল বা সামান্য বেড়েছে। তবে রেড মিটের পরিবর্তে হাঁস-মুরগির গোশতের দিকে ঝোঁক বাড়ছে, যা স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ইতিবাচক বলে বিবেচিত।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।