ইরানে হামলার ৪৮ ঘণ্টা আগে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে জটিল ও দূরবর্তী যুদ্ধ শুরু নিয়ে আলোচনা করেন। সূত্র জানায়, নেতানিয়াহু ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার সুযোগের কথা তুলে ধরে ট্রাম্পকে রাজি করান। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, খামেনি ও তার সহযোগীরা তেহরানে বৈঠক করার কথা ছিল, যা আগেভাগে সরিয়ে আনা হয়েছিল। এই ফোনালাপের তথ্য আগে কখনও প্রকাশ পায়নি।
নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে এমন অভিযানের পক্ষে ছিলেন এবং যুক্তি দেন যে খামেনিকে হত্যা করলে ট্রাম্প ইরানের আগের হত্যাচেষ্টার প্রতিশোধ নিতে পারবেন। ফোনালাপের সময় ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপে ইতিবাচক ছিলেন, তবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি কখন যুক্ত হবে তা তখনও নির্ধারিত হয়নি। এর পর মার্কিন সেনাবাহিনী অঞ্চলে উপস্থিতি বাড়ায় এবং প্রশাসনের ভেতরে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা চলছিল।
সূত্রগুলো জানায়, এই ফোনালাপের পর ২৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অনুমোদন দেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রথম বোমা হামলা হয় এবং পরে ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে খামেনি নিহত হয়েছেন। হোয়াইট হাউস জানায়, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস ও পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন রোধ করা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।