বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির তাদের ২৪১ নেতাকর্মী রাষ্ট্রীয় গুমের শিকার হয়েছেন দাবি করে ন্যায়বিচার এবং এখনো নিখোঁজ সাত নেতাকর্মীর সন্ধান চেয়েছে। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানায়।
লিখিত বক্তব্যে নূরুল ইসলাম সাদ্দাম সাত নিখোঁজ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে বলেন, কিছু ঘটনায় এক যুগের বেশি সময় পার হলেও বাহিনী তাদের আটকের কথা স্বীকার করেনি। তিনি গুমবিষয়ক তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে যাচাই শেষে ১ হাজার ৫৬৯টি গুমের প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তার দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় থাকা ভুক্তভোগীদের মধ্যে ছাত্রশিবিরের ২৪১ জন রয়েছেন। সংগঠনটির ভাষ্য, ভয়, নিরাপত্তাহীনতা, মানসিক বিপর্যয় ও দেশের বাইরে থাকার কারণে আরও অনেকে কমিশনে অভিযোগ করতে পারেননি।
সংবাদ সম্মেলনে গুমের পর কথিত ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন, পঙ্গুত্ব এবং রাজনৈতিক ও ‘মিথ্যা’ মামলার অভিযোগও তোলা হয়। ছাত্রশিবির স্বাধীন তদন্ত, জড়িতদের বিচার, ভুক্তভোগী ও শহীদ পরিবারকে পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ, সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে পূর্ণ স্বাধীন ক্ষমতা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।