২০২৬ সালের ৪ জুন বিদ্যুতের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানোর পরও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ লোডশেডিং চলছে। ধামরাই, নাসিরনগর ও ফরিদপুরসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রতিদিন ৮ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। এতে গৃহস্থালি জীবন, হাসপাতাল ও শিল্প উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, বিদ্যুৎ না থাকায় পেঁয়াজ ও আলু সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। অনেক গ্রাহক আগের তুলনায় দ্বিগুণ বিল পাচ্ছেন, অথচ বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও খারাপ হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে মোট উৎপাদন সক্ষমতার ৬৬ শতাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি সংকটে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে ১৩ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে, যা চাহিদার তুলনায় প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট কম। বিশেষজ্ঞরা দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও পূর্ববর্তী সরকারের ভুল নীতিকে এ সংকটের জন্য দায়ী করেছেন। বর্তমান সরকারও স্বীকার করেছে যে, পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া ঋণ ও জ্বালানি নির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে।
বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়াতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে, তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে তিন থেকে চার বছর সময় লাগবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।