Web Analytics

নিবন্ধটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে এআইনির্ভর অর্থনীতি গড়তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কর্মীদের বিকল্প হিসেবে নয়, তাদের সক্ষমতা বাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত। তৈরি পোশাক, কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ, নির্মাণ, পরিবহন ও সেবাখাতনির্ভর শ্রমঘন অর্থনীতিতে অন্ধভাবে পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়তার পথে হাঁটা অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই ‘অটোমেশন’-এর বদলে ‘অগমেন্টেশন’-কেই মূলনীতি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পোশাক কারখানায় এআইভিত্তিক ভিশন সিস্টেম ত্রুটিপূর্ণ পণ্য শনাক্ত করে মান নিয়ন্ত্রণে সুপারভাইজারকে সহায়তা করতে পারে। কৃষিতে মোবাইলভিত্তিক এআই ফসলের রোগ, সার বা কীটনাশকের প্রয়োজন এবং আবহাওয়ার প্রভাব সম্পর্কে কৃষককে তথ্য দিতে পারে। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সরকারি প্রশাসনেও এআই সহায়ক হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এআই সিদ্ধান্ত দেবে না; বরং সিদ্ধান্তকে আরও তথ্যভিত্তিক, দ্রুত ও নির্ভুল করবে।

এআই বাস্তবায়নের সঙ্গে কর্মীদের পুনর্দক্ষতা ও দক্ষতা উন্নয়ন বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানানো হয়েছে। বাংলা ভাষার ডেটাসেট, ভাষা মডেল, স্পিচ রিকগনিশন ও ওসিআরে বিনিয়োগের পাশাপাশি নৈতিকতা, তথ্যের গোপনীয়তা, সাইবার নিরাপত্তা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। প্রযুক্তি, শিক্ষা, শিল্পনীতি, শ্রমনীতি ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে যুক্ত করে জাতীয় কৌশল প্রয়োজন বলে নিবন্ধটি মত দিয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।