Web Analytics

রয়টার্স বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ইরান ও তার মিত্রদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির তথ্য উপসাগরীয় আরব দেশগুলো কমিয়ে দেখিয়ে থাকতে পারে। প্রতিবেদনে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার কথা বলা হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরুর পর তেহরান পাল্টা হামলা চালায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

রয়টার্স বলেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সরকারি বিবরণ ও ঘটনাস্থলের বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে ধারাবাহিক অমিল দেখা গেছে। সৌদি আরব আরামকোর ধাহরান সদর দপ্তরে হুথি ড্রোন হামলার ক্ষতিকে ‘সীমিত অগ্নিকাণ্ড’ বলেছিল। তবে রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ভবনের ওপরের তিনটি তলা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ছাদের অংশ ধসে পড়ে এবং জানালা-দরজা উড়ে যায়। একটি সূত্র জানায়, প্রধান নির্বাহী আমিন নাসেরের কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উপগ্রহচিত্র ও বিশেষজ্ঞ মূল্যায়নে জ্বালানি স্থাপনা, পাইপলাইন, বন্দর এবং বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রে লক্ষ্যভিত্তিক হামলার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে কাতারের রাস লাফান এলএনজি স্থাপনা ও ফুজাইরা বন্দরে ক্ষয়ক্ষতির কথাও বলা হয়। ফুজাইরা থেকে পরিশোধিত জ্বালানি পণ্য রপ্তানি স্বাভাবিক হতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় লেগেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।