ইরানি বিমান সংস্থা ও তাদের সেবা দেওয়া বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর ইরানি বিমান সংস্থাকে সেবা বন্ধের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ হয় এবং কয়েকটি দেশের রুট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে তেহরান থেকে দুবাই যেতে তিন ঘণ্টার কম সময় ও ১০০ থেকে ২০০ ডলার লাগলেও এখন সময় লাগছে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত, খরচ এক হাজার ডলারের বেশি।
ওয়াশিংটন আগস্টে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণা করে। এর অংশ হিসেবে ইরানে চলাচলকারী ২৭টি বিমান সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং ইরানি সংস্থার সঙ্গে কাজ করা বিমানবন্দর, জ্বালানি সরবরাহকারী ও ভূমিতে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেওয়া হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর দুশানবেগামী একটি ইরানি ফ্লাইট তুর্কমেনিস্তানের আকাশসীমায় ঢোকার অনুমতি না পেয়ে তেহরানে ফিরে আসে।
পরে সংযুক্ত আরব আমিরাত, আজারবাইজান ও জর্জিয়া ইরানি ফ্লাইটে বিধিনিষেধ আরোপ করে। মাসকাট ও বাগদাদগামী ফ্লাইট বন্ধ হয় এবং তুরস্কগামী কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। আলিবাবা ট্রাভেল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মাজিদ হোসেইনি-নেজাদ বলেন, প্রায় ২০ শতাংশ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ হয়েছে। মস্কো, নাজাফ, ইস্তাম্বুল, ইয়েরেভান ও গুয়াংজুসহ কয়েকটি গন্তব্যে ফ্লাইট চললেও বন্ধ রুট পুনরায় চালু করতে সংশ্লিষ্ট সরকারের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।