দেশের অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক রেল যোগাযোগ জোরদারে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৩ হাজার ৭৭৯ কোটি ২৫ লাখ টাকার প্রকল্প প্রস্তাব পুনর্গঠনের নির্দেশ দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। প্রকল্পে ২০০টি মিটারগেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ, চারটি রিলিফ ক্রেন এবং চারটি আন্ডারফ্লোর হুইল লেদ মেশিন কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি ব্যয় প্রাক্কলন, ঋণ অর্থায়ন, পরামর্শক নিয়োগ ও আনুষঙ্গিক খাতে অসংগতি চিহ্নিত করেছে।
প্রস্তাবিত প্রকল্প মেয়াদ ছিল ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত। পিইসি তা পরিবর্তন করে চলতি বছরের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০৩০ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছে। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ১২১ কোটি ৪ লাখ টাকা এবং এডিবির ঋণ ২ হাজার ৬৫৮ কোটি ২১ লাখ টাকা। তবে ২০১৯ সালের মূল্যতালিকার সঙ্গে ৫ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি যোগ করে ব্যয় নির্ধারণ করায় বর্তমান বাজারদর বিশ্লেষণ করে নতুন প্রাক্কলন তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইআরডির সম্মতিপত্র যুক্ত করা, পরামর্শক ব্যয় কমানো এবং বিজ্ঞাপন, স্টেশনারি, জরিপ ও ভ্রমণসহ বিভিন্ন খাতের বরাদ্দ কমানো বা বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৩ দফা নির্দেশনা মেনে দ্রুত সংশোধিত ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও অসংগতি দূর না হওয়া পর্যন্ত অনুমোদনের সুপারিশ চূড়ান্ত হবে না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।