Web Analytics

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ২০২৪ সালে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার মার্কিন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে। অর্থ সরাসরি মার্কিন ব্যাংকে না গিয়ে তৃতীয় দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ফ্রন্ট কোম্পানি ও মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঘুরে করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ডলার লেনদেনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় প্রবেশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা এবং কেপলারের হিসাবে আগস্টে দেশটি প্রতিদিন ৫ লাখ ব্যারেলের বেশি ইরানি তেল আমদানি করেছে। ইরানের মোট তেল রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি চীনে যায়। আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের মাধ্যমে উৎস গোপন করা হয়। ভর্টেক্সার হিসাবে, এশিয়ার জলসীমায় প্রায় ৮ কোটি ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল ভাসমান অবস্থায় মজুত রয়েছে।

ইরান বাণিজ্যে চীনা ইউয়ান, পণ্যভিত্তিক বিনিময় ও ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহারও বাড়াচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি ইরানি ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এবং ইরান-সংশ্লিষ্ট ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি ডিজিটাল মুদ্রা জব্দ করেছে। ট্রেজারি ব্যাংক মিসরের ইউএই কার্যক্রমের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের উদ্যোগ নেয়, কারণ সেটি সম্ভাব্যভাবে ইরানের ছায়া ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক-সংশ্লিষ্ট প্রায় ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের লেনদেন প্রক্রিয়া করেছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।