বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় পাঠানোর ক্ষেত্রে ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রবাসীদের পাঠানো মাসিক রেমিট্যান্স ৩.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। এই প্রবাহ অব্যাহত রাখতে প্রণোদনা কার্যক্রম চালু থাকবে।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শ্রমিক সুরক্ষা ও প্রবাসী কল্যাণকে সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, প্রবাসীদের জন্য একটি বিশেষ প্রবাসী কার্ড চালু করা হবে, যা কল্যাণ, বিমা, ব্যাংকিং ও জরুরি সহায়তার সঙ্গে যুক্ত থাকবে। রাশিয়া, পর্তুগাল, রোমানিয়া, ব্রাজিল, গ্রিস, সার্বিয়া ও নর্থ মেসিডোনিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার সম্প্রসারণে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের বাজার পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া চলছে।
বাজেটে দক্ষতা উন্নয়ন ও বাজারভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে দেশীয় ও বৈদেশিক শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে কর্মশক্তিকে প্রস্তুত করা যায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।