Web Analytics

উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অব্যাহত বোমা হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল সীমিত করে তেল অস্ত্রের নতুন সংস্করণ প্রয়োগ করেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের ঘাটতি ও দাম বৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে এবং বিশ্লেষকদের মতে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তা ১৪০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প প্রশাসন ২০ মার্চ ইরানি তেল কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা ৩০ দিনের জন্য শিথিল করেছে, যা তাদের নীতিগত সংকটের ইঙ্গিত দেয়।

প্রতিবেদনটি ১৯৭৩ সালের আরব তেল নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করেছে। তখন আরব ওপেক দেশগুলো ইসরাইল-সমর্থক দেশগুলোর বিরুদ্ধে রপ্তানি বন্ধ করে তেলের দাম চারগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রকে তার মধ্যপ্রাচ্য নীতি পরিবর্তনে বাধ্য করেছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে ওইসিডি দেশগুলোর কৌশলগত তেল মজুত থাকলেও তা দীর্ঘমেয়াদি সংকট মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়। ইরানের এই পদক্ষেপ দেখিয়েছে, সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তেল এখনো কার্যকর রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে রয়ে গেছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।