গাজা যুদ্ধ চলাকালে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সমালোচনা এবং কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের নিষেধাজ্ঞার উদ্যোগের মধ্যেও ভারত ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে ফিলিস্তিনের জোরালো সমর্থক ভারত ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা অংশীদারে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধের সময় ভারত থেকে ইসরাইলে অস্ত্র রপ্তানির অভিযোগও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
এই সম্পর্কের একটি উদাহরণ হিসেবে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচের ভারত সফরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কয়েকটি দেশ তাঁকে নিষিদ্ধ করেছিল এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিষেধাজ্ঞা বিবেচনা করছিল। তবু নয়াদিল্লিতে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়; তিনি বাণিজ্য চুক্তি সই করেন, মুম্বাইয়ের শেয়ারবাজার ঘুরে দেখেন এবং গুজরাটের একটি বিনিয়োগকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ফেব্রুয়ারিতে মোদির ইসরাইল সফরে নেতানিয়াহু তাঁকে মহান বন্ধু ও ভাই বলেন।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশ্লেষকেরা ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, হিন্দুত্ববাদী আদর্শ, নিরাপত্তাস্বার্থ এবং দুই দেশের সহযোগিতাকে ঘনিষ্ঠতার কারণ হিসেবে দেখেছেন। ভারত দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান, গাজায় ত্রাণ প্রবেশ এবং আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে থাকলেও সাধারণ নিন্দা ও সীমিত আপত্তির বাইরে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।