Web Analytics

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদ্য বিদায়ি পাঁচজন কমিশনার এক যৌথ খোলা চিঠিতে জাতীয় সংসদে মানবাধিকার ও গুমবিষয়ক অধ্যাদেশ নিয়ে উপস্থাপিত কিছু ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের জবাব দিয়েছেন। তারা জানান, সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো সংসদে পাস না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তার দায়বদ্ধতা থেকেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে চিঠিটি প্রকাশ করা হয়।

চিঠিতে কমিশনাররা দাবি করেন, সংসদে অধ্যাদেশগুলো বাতিলের পক্ষে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। তারা ব্যাখ্যা দেন যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ একটি মূল আইন, যার ওপর ভিত্তি করে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো গঠিত। তারা দুটি বিষয়ে সংশোধন দেন—গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে এবং তদন্তের সময়সীমা ও জরিমানার বিধান অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।

বিদায়ি কমিশনাররা আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, সংসদ কর্তৃক পুনর্বহালকৃত ২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশন আইনে এসব বিধান নেই। তারা জানান, ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থে নয়, বরং ভুক্তভোগীদের বেদনা ও আইনি জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যেই তারা এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।