চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে ভারত সফরে যাচ্ছেন। সাত বছর পর এটি তার প্রথম ভারত সফর। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সফর নিশ্চিত করলেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে শির আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে কি না, তা নিশ্চিত হয়নি। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে সফরটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই নেতা ২০২৪ সালের কাজান ব্রিকস সম্মেলন এবং গত বছর তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে সাক্ষাৎ করেছেন। সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালু হয়েছে এবং ভিসা প্রক্রিয়ায় কিছু শিথিলতা এসেছে। ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ভারত ও চীনের সামরিক কর্মকর্তাদের ফ্ল্যাগ মিটিংও হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব উদ্যোগ সীমান্ত বিরোধের পূর্ণ সমাধান নয়; বরং নতুন সংঘাত এড়ানো ও আস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা।
অর্থনৈতিক বিষয়গুলোও সফরের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। চীনের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বিনিয়োগ, বাজারে প্রবেশাধিকার, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ নিয়ে জটিলতা রয়েছে। ভারত কিছু চীনা বিনিয়োগে শিথিলতা দিলেও বড় প্রকল্প বাধার মুখে আছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, সফরে নাটকীয় পরিবর্তনের বদলে সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্থিতিশীল করার বার্তা আসতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।