২০২৬ সালের ২২ মে খুলনায় অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী সুন্দরবন সামিটে বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তারা সুন্দরবন রক্ষায় জাতীয় ও বৈশ্বিক ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপের আহ্বান জানান। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিথ্রিইআর, মিশন গ্রিন বাংলাদেশ, সাজিদা ফাউন্ডেশন ও স্বপ্নপুরী কল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে আয়োজিত এই সম্মেলনে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাতটি দেশের তিন শতাধিক তরুণ জলবায়ু কর্মী অংশ নেন। বক্তারা বলেন, সুন্দরবন বাংলাদেশের উপকূলকে জলবায়ু দুর্যোগ থেকে রক্ষা করছে এবং কার্বন নিঃসরণ শোষণ করছে, কিন্তু বিধ্বংসী কার্যক্রমে বনটি এখন ঝুঁকিতে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু অতীতের অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সমালোচনা করে দ্রুত টেকসই সমাধানের আহ্বান জানান। জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত সরকার, এনজিও ও তরুণদের যৌথ সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন। জলবায়ুবিদ ড. আইনুন নিশাত লবণাক্ততা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে জীববৈচিত্র্যের হুমকির কথা তুলে ধরে বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের শরীফ জামিল দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততার ওপর জোর দেন।
সন্ধ্যায় মিশন গ্রিন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আহসান রনি ‘সুন্দরবন গ্রিন ডিক্লারেশন ২০২৬’ ঘোষণা করেন, যা বন সংরক্ষণে নতুন অঙ্গীকার তুলে ধরে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।