ময়মনসিংহের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ বা এনসিডি কর্নারে প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এতে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ নিয়মিত বন্ধ থাকলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে। রোগীরা রক্তচাপ পরীক্ষা, চিকিৎসক-নার্সের পরামর্শ এবং কিছু ওষুধ পেলেও সরবরাহের ধারাবাহিকতা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের যৌথ বাংলাদেশ হাইপারটেনশন কন্ট্রোল ইনিশিয়েটিভের আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ে সেবা জোরদার করা হচ্ছে। এনসিডি কর্নারে রক্তচাপ ও রক্তে গ্লুকোজ পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ, জীবনযাপন পরিবর্তন এবং ফলোআপে গুরুত্ব দেওয়া হয়। ময়মনসিংহ জেলায় প্রায় ৩৪ হাজার উচ্চ রক্তচাপের রোগী এ সেবার মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
কর্মকর্তারা জানান, ২০২৫ সালের শেষ দিকে এনসিডি প্রোটোকল অনুযায়ী দেওয়া সরকারি ওষুধের বরাদ্দ প্রায় শেষ। অপারেশনাল প্ল্যান না থাকায় এমএসআর ফান্ড থেকে ওষুধ কিনতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ওই অর্থ অন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতেও লাগে। জনবল সংকট, যন্ত্রপাতির পর্যাপ্ততা এবং নিয়মিত ফলোআপ নিশ্চিত করার সমস্যাও ওয়ান স্টপ সেবা পরিকল্পনাকে সীমিত করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।