খুলনায় কয়রা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলামের বাড়ি থেকে তিন যুবককে সোমবার বিকেলে আটক করেছে পুলিশ। তারা নিজেদের ছাত্র সমন্বয়ক ও এনসিপি নেতা পরিচয় দিয়েছিলেন। আটককৃতরা হলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, আল নাহিয়ান ও মিরাজ গাজী। শফিকুল ইসলামের মেয়ে শাহনাজ পারভীন অভিযোগ করেন, তারা তার বাবার কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং দাবি পূরণ না হলে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, শাহনাজ পারভীন বাদী হয়ে চাঁদাবাজির মামলা করেছেন এবং গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে, তবে তিনি জামিনে আছেন।
এনসিপির জেলা সমন্বয়কারী মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফয়জুল্লাহ বলেন, আটক ব্যক্তিরা এনসিপি বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো কমিটিতে নেই এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও যুবলীগ সভাপতি কেন এখনো গ্রেপ্তার হননি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।