মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সক্ষমতা প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত পুনর্গঠন করছে ইরান। সিএনএনকে দেওয়া তথ্যে জানা যায়, চলতি বছরের এপ্রিলে শুরু হওয়া ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দেশটি আংশিকভাবে ড্রোন উৎপাদন পুনরায় চালু করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, লঞ্চার ও অস্ত্র উৎপাদন অবকাঠামো পুনর্গঠনের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে এবং এটি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রাথমিক ধারণাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরান ছয় মাসের মধ্যেই পূর্ণমাত্রায় ড্রোন হামলার সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সূত্রগুলো জানায়, ইরানের দ্রুত পুনর্গঠনে রাশিয়া ও চীনের সহায়তা ভূমিকা রাখছে, যদিও চীন ক্ষেপণাস্ত্র উপাদান সরবরাহের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মার্কিন তথ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রায় অর্ধেক ড্রোন সক্ষমতা এখনো কার্যকর রয়েছে এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের বড় অংশ অক্ষত আছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সেন্টকম প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার কংগ্রেসে দাবি করেছেন, অপারেশন এপিক ফিউরি ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের ৯০ শতাংশ ধ্বংস করেছে। তবে সিএনএন জানিয়েছে, গোয়েন্দা সূত্রগুলো মনে করে ইরানের পুনর্গঠন কয়েক মাসের মধ্যেই সম্ভব হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।