কুমিল্লাসহ কয়েকটি জেলায় নতুন সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রকাশের পর স্বচ্ছতা, রাজনৈতিক প্রভাব ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতাদের স্বজন ও ঘনিষ্ঠজন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সহকারীরা ডিলারশিপ পেয়েছেন, অথচ দীর্ঘদিনের বিএনপি কর্মীরা উপেক্ষিত হয়েছেন। কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও জামালপুরের বকশীগঞ্জের নিয়োগ নিয়ে এ বিতর্ক সামনে এসেছে।
চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী এরশাদ আলম অভিযোগ করেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান আবেদনকারীদের কাছ থেকে ডিলারপ্রতি পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি নীতিমালার বাইরে কোনো কাজ করেননি এবং নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় বিএনপি নেতারা আরও অভিযোগ করেছেন, কুমিল্লায় ৩০টির বেশি ডিলারশিপ আওয়ামী লীগ নেতাদের নামে বরাদ্দ হয়েছে।
নবীনগরে স্থানীয় এমপি আবদুল মান্নানের কয়েকজন কথিত আত্মীয়ের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যদিও প্রশাসন নিরপেক্ষতা বজায় রাখার দাবি করেছে। এমপির বক্তব্যের জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। বকশীগঞ্জে সাইফুল ইসলাম সাদা বলেন, আগে বহিষ্কার হলেও পরে দলীয় সিদ্ধান্তে তা প্রত্যাহার হয়; ১৪ আবেদনকারীর মধ্য থেকে কর্তৃপক্ষ তাকে নিয়োগ দিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।