Web Analytics

চট্টগ্রামের বাঁশখালী, আনোয়ারা ও পটিয়ায় প্রায় ৮ হাজার লবণচাষি উৎপাদন বাড়াতে মাঠে নামার অপেক্ষায় আছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী সপ্তাহে তারা কাজ শুরু করবেন। চলতি বছরে এসব এলাকায় ১০ হাজার একর জমিতে লবণ চাষের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী পেকুয়াতেও লবণ উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি রয়েছে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের কয়েকটি এলাকায় শীতের শুরুতে বাণিজ্যিকভাবে লবণ উৎপাদন শুরু হয়। সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি আধুনিক পলিথিন পদ্ধতি ব্যবহারে উৎপাদন প্রায় আড়াই গুণ বাড়ে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিসিক চাষিদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেয়। লবণচাষি ফজল আহমদ বলেন, উৎপাদন খরচ বেড়েছে এবং বিদেশি লবণ আমদানি হলে উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য পাওয়া কঠিন হবে।

লবণচাষি কল্যাণ সমিতির সভাপতি সাহাব উদ্দীন দাবি করেন, ঘাটতির কথা বলা হলেও চাষিদের লবণ মাঠেই পড়ে আছে এবং নানা পথে লবণ আসছে। বিসিকের উপমহাব্যবস্থাপক জাফর ইকবাল ভূঁইয়া বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে উৎপাদন কম হওয়ায় ঝুঁকি এড়াতে সরকার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাঠে প্রায় ৪ লাখ টন লবণ মজুত আছে, যা দেশের প্রায় আড়াই মাসের চাহিদা মেটাতে পারে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।