Web Analytics

একটি মতামতধর্মী লেখায় জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিসর গড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। লেখাটি বলছে, এ সময় জাতীয় পরিচয়, ইতিহাস, বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির সংজ্ঞা নির্ধারণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন সামনে এসেছে। এ প্রেক্ষাপটে ইসলামি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আধুনিক সৃজনশীল শিল্পের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়তে আন্তর্জাতিক মানের জাতীয় ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়েছে।

লেখকের মতে, সাহিত্য, সংগীত, চলচ্চিত্র, নাটক ও শিল্পের মাধ্যমে সমাজ নিজের ইতিহাস, মূল্যবোধ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বয়ান তৈরি করে। বাংলাদেশের ইতিহাস, বিশ্বাস ও সামাজিক অভিজ্ঞতাভিত্তিক মানসম্মত অ্যানিমেশন, গল্প এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক উপকরণ পর্যাপ্তভাবে তৈরি হয়নি বলে এতে উল্লেখ করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে গুরু-শিষ্যের বদলে সমমর্যাদার দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক হিসেবে দেখার কথাও বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কেন্দ্রে যোগাযোগ ও মিডিয়া প্রশিক্ষণ, প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ, সংগীত, অ্যানিমেশন, গবেষণা, অনুবাদ, প্রকাশনা, ক্যালিগ্রাফি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকতে পারে। লেখাটি বলছে, প্রাথমিক সরকারি অর্থায়নে কেন্দ্রটি স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হবে এবং শিল্পী, লেখক ও গবেষকদের স্বাধীন বোর্ড থাকবে। ভবিষ্যতে এটি ইসলামি কালচারেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নিতে পারে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।