বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ, পারস্পরিক সম্মান ও সরাসরি দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে তা পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত দিয়েছে। ১৩ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ঢাকা সম্পর্ক ‘রিসেট’ করতে চায় এবং নতুন সম্পর্ক গঠনে দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকে গুরুত্ব দিতে চায়। সীমান্তে হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন উদ্বেগ আন্তর্জাতিক আইন, সীমান্ত প্রটোকল ও বিদ্যমান চুক্তির আলোকে কূটনৈতিক মাধ্যমে উত্থাপনের কথাও তিনি বলেন।
চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, আগের সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত ব্যবস্থাপনাও এর অন্তর্ভুক্ত। কোন চুক্তি বহাল থাকবে, সংশোধিত হবে বা বাতিল হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, রেল ও সড়ক যোগাযোগ, নৌপথ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, পানি ও নিরাপত্তায় দীর্ঘদিনের আন্তঃনির্ভরতা রয়েছে। ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হওয়ার কথা। ঢাকা বলছে, বিদ্যমান সহযোগিতা অস্বীকার না করে সম্পর্ককে আরও ভারসাম্যপূর্ণ, স্বচ্ছ ও পারস্পরিক সুবিধাভিত্তিক কাঠামোয় নেওয়াই লক্ষ্য।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।