Web Analytics

রয়টার্সের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বোমা হামলা শুরুর পর ইরান ও তাদের মিত্ররা সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক, কাতার, কুয়েত, ওমান ও বাহরাইনের অন্তত ৮৪টি অবকাঠামোগত স্থাপনায় ১৩৫টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তেল রপ্তানি বন্দর, পাইপলাইন, গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্পকারখানা এসব হামলার লক্ষ্য ছিল। এতে জ্বালানি সরবরাহ ও রপ্তানি ব্যাহত হয়েছে এবং কিছু যন্ত্রপাতি মেরামতে মাস বা বছর লাগতে পারে।

রয়টার্স ৩৬ জন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সাক্ষাৎকার, ছবি-ভিডিও, সরকারি বিবৃতি এবং রাডার ও উপগ্রহ তথ্য বিশ্লেষণ করেছে। শিল্প খাতের বিশেষজ্ঞ ও সাবেক মার্কিন সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা অনুসন্ধানের ফলাফল পর্যালোচনা করেন। তাদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির ব্যাপক ক্ষতি মূলত প্রতিহত করা ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে হয়েছে—এ ব্যাখ্যা অত্যন্ত অসম্ভাব্য। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিত প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হাজার হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।

অনুসন্ধান অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরে অন্তত ১৯ বার হামলা হয়েছে, যা তেল লোডিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন ও কাতারের রাস লাফান এলএনজি স্থাপনাও হামলার শিকার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। কাতারএনার্জির প্রধান সাদ আল-কাবি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলএনজি কোল্ড বক্স পুরোপুরি মেরামতে তিন থেকে পাঁচ বছর লাগতে পারে। বৃহত্তর সংঘাত এড়াতে উত্তেজনা কমানোর নতুন উদ্যোগ জরুরি বলে জানিয়েছে আমিরাত সরকার।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।