Web Analytics

বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। নতুন শিল্প স্থাপন, কারখানা সম্প্রসারণ ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর গতি ধীর রয়েছে। আগস্টে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি ছিল ৪.৭৫ শতাংশ, যা টানা ছয় মাস পাঁচ শতাংশের নিচে। জুলাইয়ে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি বছরে প্রায় ৩৩ শতাংশ কমে ৩০ কোটি ৭ লাখ ডলারে নেমেছে। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে নিট বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগও আগের প্রান্তিকের তুলনায় ২২.৪৫ শতাংশ কমেছে।

আগস্টে ব্যাংক আমানত ১২ শতাংশ বেড়ে ২১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছালেও এবং ঋণের গড় সুদহার কমলেও বিনিয়োগে গতি ফেরেনি। ব্যবসায়ীরা গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট, জ্বালানির উচ্চ ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, ঋণের ব্যয়, দুর্বল চাহিদা, নিরাপত্তা উদ্বেগ ও ব্যবসার পরিবেশ নিয়ে অনিশ্চয়তাকে প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বন্ধ ও রুগ্ণ শিল্পের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচিতে চার মাসে বিতরণ হয়েছে মাত্র ৫০ কোটি টাকা। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে ১.৮৫ শতাংশ। বিশ্বব্যাংক ধীর বিনিয়োগ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট ও আর্থিক খাতের দুর্বলতাকে অর্থনীতির ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।