বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ দুবাই থেকে ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র সেন্ট লুসিয়ায় গেছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ১৭ আগস্ট দুবাই থেকে সেখানে যান। প্রতিবেদনে বলা হয়, তার সেন্ট লুসিয়ার পাসপোর্ট, দেশটিতে যৌথ বিনিয়োগ এবং গ্রোস আইসলেট এলাকায় একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। বেনজীর ও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া এক ডিআইজিও তার সেন্ট লুসিয়ায় যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রত্যর্পণসংক্রান্ত নথি ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে শুনানির পর দুবাইয়ের একটি আদালত ২৭ জুলাই তাকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি ৩০ জুলাই কারামুক্ত হন। বাংলাদেশ সরকার ২০ জুন দুবাই পুলিশের কাছে তার বায়োডাটা, দুদকের মামলা ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগসহ ২৪৪ পৃষ্ঠার নথি পাঠিয়েছিল। পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, আরব আমিরাত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে।
একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, সেন্ট লুসিয়ায় যাওয়ার খবর যাচাই করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, বেনজীরের ছয় দেশের পাসপোর্ট রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থপাচার ও মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত অভিযোগ ও মামলা আছে। অপরাধবিজ্ঞানী তৌহিদুল হক বলেন, অন্য দেশে চলে যাওয়ায় তাকে আইনের মুখোমুখি করার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা বেড়েছে; তাকে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে শক্ত উদ্যোগ দরকার।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।