Web Analytics

ঘনঘন লোডশেডিংয়ে মৌলভীবাজারের চা-শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে চা পাতার গুণগত মান এবং বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়। ২১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিন ও রাতে আট থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চা বাগানগুলো চরম সংকটে পড়েছে। কিছু এলাকায় আলাদা ফিডার থাকলেও তার সুফল মিলছে না।

চা পাতা সংগ্রহের ১৪ থেকে ১৬ ঘণ্টার মধ্যে উৎপাদন শুরু করার কথা থাকলেও বিদ্যুৎ বিভ্রাটে তা ৭০ থেকে ৮০ ঘণ্টা পর্যন্ত লাগছে। জেনারেটর দিয়ে পুরো কারখানা চালানো যায় না, আর তেলের উচ্চমূল্যে খরচ বেড়ে যাচ্ছে। কারখানা ব্যবস্থাপক ও শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, কারখানা বন্ধ থাকলে পাতা শুকিয়ে নষ্ট হয়, ডায়ারমেশিন বন্ধ থাকায় অনেক পাতা নষ্ট হয় এবং মূল্যবান যন্ত্রপাতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

চা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিম্নমানের কারণে নিলামে ন্যায্য দাম পাওয়া যাচ্ছে না এবং কিছু চা অবিক্রীত থাকছে। এতে শ্রমিকদের মজুরি, বোনাস ও রেশন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কমলগঞ্জ জোনাল কার্যালয় জানিয়েছে, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদামতো বিদ্যুৎ না পাওয়ায় প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ লোডশেডিং করতে হচ্ছে। বরাদ্দ পেলে অন্য বাগানের জন্যও আলাদা ফিডার নির্মাণের কথা বলা হয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।