দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা কোইকা ও ইউনিসেফ বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে থাকা ১৮ হাজার কিশোরী ও তরুণীকে কারিগরি দক্ষতা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ পেতে সহায়তা করেছে। পাঁচ বছর মেয়াদি এ উদ্যোগ ২০২২ সালে বাংলাদেশের সাতটি অঞ্চলে শুরু হয় বলে সোমবার প্রকাশিত কোইকার বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান ১২ অক্টোবর ঢাকার বনানীর শেরাটন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।
১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার সম্মিলিত হার ৮৪ শতাংশ। স্থানীয় শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী তথ্যপ্রযুক্তি, মুঠোফোন মেরামত, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ, সেলাই, সৌন্দর্যচর্চা ও গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা দিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগও স্থাপন করা হয়।
কর্মসূচিতে চাকরি পেতে সহায়তা, ব্যবসা শুরু করার উদ্যোগ এবং আর্থিক সেবায় প্রবেশের সুযোগ অন্তর্ভুক্ত ছিল। কোইকা জানিয়েছে, আর্থিক সহায়তা নিয়ে কয়েকজন তরুণী স্থানীয় বাজারে দোকান খুলেছেন এবং তাঁদের কেউ কেউ অন্তত তিন মাস ব্যবসা পরিচালনা করছেন। নারীশিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে পরিবার ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমর্থন বাড়াতে সামাজিক উদ্যোগ ও প্রচারাভিযান পরিচালিত হয়েছে। কোইকার কান্ট্রি ডিরেক্টর কিম জি-হুন টেকসই জীবিকা গড়ে তুলতে সহায়তা অব্যাহত রাখার কথা বলেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।