বগুড়ার জয়পুরপাড়ায় নবনির্মিত আধুনিক জেলা কসাইখানা উদ্বোধনের প্রায় তিন মাস পরও চালু হয়নি। লোকবল নিয়োগ ও দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি গত ১৭ মে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উদ্বোধন করেন। পরে এটি বগুড়া সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রশাসক জানান, চলতি মাসের মধ্যেই কার্যক্রম শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের অধীনে ৫০ শতক জমিতে কসাইখানাটি নির্মিত হয়েছে। এখানে প্রতি ঘণ্টায় ১৫টি গরু এবং ৩০টি ছাগল বা ভেড়া জবাই ও মাংস প্রস্তুত করা যাবে। কর্মকর্তারা বলেন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থাকায় পরিবেশদূষণের আশঙ্কা থাকবে না। নিয়োগের পর কর্মীদের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
সিটি করপোরেশনের হিসাবে স্থাপনাটি পরিচালনায় প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং মাসে ৭ থেকে ৯ লাখ টাকা খরচ হবে। জবাইয়ের চার্জ এখনো নির্ধারিত হয়নি। বাসিন্দারা সনদবিহীন জবাই, অসুস্থ পশুর মাংস বিক্রি ও বর্জ্য নদীতে ফেলার অভিযোগ তুলে দ্রুত নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন। কর্মকর্তারা বলেন, শিগগির দরপত্র আহ্বান এবং কসাইদের তালিকা তৈরির কাজ করা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।