আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে। কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে খামারি ও ব্যবসায়ীরা ট্রাকভর্তি গরু-মহিষ নিয়ে হাটে আসছেন। তবে বিক্রেতারা জানিয়েছেন, পশুখাদ্য, পরিবহন ও আনুষঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় গরুর দাম গত বছরের তুলনায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। উত্তরা দিয়াবাড়ী হাটে পানি সংকট, শেডের অভাব ও কাদা-পানির কারণে খামারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
অনেকে নিজ খরচে বালু কিনে গরুর জায়গা শুকনো রাখছেন এবং ভালো জায়গা বা শেডের নিচে জায়গা নিতে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন। পিকআপ গাড়ির স্টিকারের জন্য ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে বলেও জানা গেছে। ইজারাদার দাবি করেছেন, রাতের মধ্যেই বেশিরভাগ সমস্যা সমাধান হবে। পশুখাদ্য ও ট্রাক ভাড়ার দাম বেড়ে যাওয়ায় খামারিরা উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে গাবতলী হাটে এখনো পুরোপুরি বেচাকেনা শুরু না হলেও মাঝারি দামের গরুর প্রতি আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং ব্যাংকের অস্থায়ী বুথ বসানো হয়েছে। আগামী সোমবার থেকে হাটগুলো পুরোপুরি জমে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।