Web Analytics

দিল্লি পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরকে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের অনুমোদিত স্থানগুলোর তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। তিন দশকের বেশি সময় ধরে এটি রাজনৈতিক আন্দোলন, শ্রমিকদের দাবি, দুর্নীতিবিরোধী প্রচার এবং নাগরিক অধিকারভিত্তিক প্রতিবাদের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। সোমবার জারি করা পুলিশি আদেশে এই পরিবর্তন আনা হলেও জন্তর মন্তর বাতিলের নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। অধিকারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন, এতে ভারতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সুযোগ আরও সীমিত হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যে সিদ্ধান্তটি এসেছে। সমালোচকদের আশঙ্কা, এই প্রক্রিয়ায় বহু যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে তরুণদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে এবং অনলাইনে সংগঠিত ককরোচ জনতা পার্টিসহ বিভিন্ন গোষ্ঠী এতে অংশ নিয়েছে। জুলাইয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনও জন্তর মন্তরকেন্দ্রিক ছিল।

বিকল্প হিসেবে কর্তৃপক্ষ রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও সিবিডি ময়দান নির্ধারণ করেছে। আন্দোলনকারীরা বলছেন, সংসদ ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের কাছে কেন্দ্রীয় অবস্থানের কারণে জন্তর মন্তরে প্রতিবাদ নীতিনির্ধারক ও সংবাদমাধ্যমের সহজে নজরে আসত। ১৯৯৩ সাল থেকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে পরিচিত জায়গাটি ২০১১ সালে আন্না হাজারের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনেরও অন্যতম কেন্দ্র ছিল।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।