২০২৬ সালের ২১ জুন রোববার ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সেনাসদস্য ইমরুল কায়েসের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনালে ইমরুল জানান, সাবেক র্যাব ইন্টেলিজেন্স পরিচালক জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছিল।
ইমরুল বলেন, তিনি ২০০১ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত র্যাব সদর দপ্তরে জিয়াউল আহসানের ‘রানার’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি বর্ণনা করেন এবং দাবি করেন, ঘটনার পর জিয়াউল নিজ হাতে সিসিটিভি ফুটেজ ধ্বংস করেন। চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানান, সাক্ষ্যে ভারত-বাংলাদেশজুড়ে বিস্তৃত এক ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ ও জাফলং অভিযানের তথ্য উঠে এসেছে, যেখানে দুই অজ্ঞাত ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়।
কড়া নিরাপত্তায় জিয়াউল আহসানকে আদালতে হাজির করা হয়। প্রসিকিউশন জানায়, মামলার তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া এখনও চলমান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।