ওমানের রাজধানী মাস্কাট উপকূল থেকে প্রায় পাঁচ নটিক্যাল মাইল দূরে মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ক্রুড অয়েল ট্যাঙ্কার ‘এমকেডি ভিওম’-এ মিসাইল হামলার পর চার বাংলাদেশি নাবিক অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। ১ মার্চ পার্সিয়ান গাল্ফে সংঘটিত ওই হামলায় জাহাজের ইঞ্জিন রুমে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ধরে যায়। জাহাজটিতে ৬০ হাজার মেট্রিক টন দাহ্য গ্যাসোলিন ছিল এবং এতে ২২ জন নাবিক ছিলেন, যার মধ্যে চারজন বাংলাদেশি ও বেশিরভাগই ভারতীয়। এক ভারতীয় নাবিক নিহত হন, যাকে উদ্ধারে জীবন ঝুঁকি নিয়ে চেষ্টা করেন বাংলাদেশিরা।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএমওএ) বিবৃতিতে জানানো হয়, হাবিবুর রহমান, মনিরুল আলম জয়, রিফাত মাহমুদ ও মোহাম্মদ আবু নাছের আগুন নেভানো ও সহকর্মীদের উদ্ধারে সাহসিক ভূমিকা রাখেন। তারা কয়েক ঘণ্টা ধরে আগুন ও বিষাক্ত ধোঁয়ার মধ্যে লড়াই চালিয়ে যান এবং শেষে জাহাজ পরিত্যাগের নির্দেশে লাইফবোটে উদ্ধার হন। ৪ মার্চ রাতে তারা দেশে ফেরেন এবং ৫ ও ৬ মার্চ নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছান।
বিএমএমওএ সভাপতি ক্যাপ্টেন মো. আনাম চৌধুরী বলেন, এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে তাদের সাহসিকতা নাবিকদের জন্য এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।