শনিবার সকালে হরমুজ প্রণালীতে একটি জাহাজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল আঘাত হানার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগারসহ উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলা চালায়। ইরানের গণমাধ্যম জানায়, সিরিক জেলার তাহরুই গ্রাম ও কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ ঘটে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও নজরদারি স্থাপনা রয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
এই ঘটনা ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের পর দ্বিতীয় সরাসরি সংঘর্ষ, যা চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করায় যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা হামলা চালিয়েছে। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ বাহরাইনে কথিত ইরানি ড্রোন হামলাকে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানান। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান আহমাদিয়ান সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা অব্যাহত রাখলে ইরানও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।
মার্কিন কংগ্রেসম্যান রো খান্না এই হামলাকে যুদ্ধক্ষমতা আইনের লঙ্ঘন বলে সমালোচনা করেন। সাবেক নৌ কর্মকর্তা হারলান উলম্যান বলেন, তেলের দাম বাড়লে ট্রাম্প প্রশাসন সংযম দেখাতে বাধ্য হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।