ভারতের আদানি পাওয়ার লিমিটেড ও বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করবে দুর্নীতি দমন কমিশন। সাবেক মুখ্যসচিব এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে এ বিষয়টি যুক্ত করার সুপারিশ করেছে কমিশন। সোমবার দুদকের উপপরিচালক, জনসংযোগ, মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
দুদক সূত্র অনুযায়ী, গত বছরের ৩০ এপ্রিল এনবিআরকে পাশ কাটিয়ে শুল্ক ও কর অব্যাহতির মাধ্যমে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা ফাঁকির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয়। কায়কাউস, তাঁর নেতৃত্বাধীন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নথিও তলব করা হয়। এনবিআরের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর প্রায় ৪০ কোটি ডলারের শুল্ক ফাঁকির প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে।
তদন্তে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৯ মার্চ ঝাড়খণ্ডের গড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয়। বিদ্যুৎ প্রবেশ ও সঞ্চালনের জন্য বিল অব এন্ট্রি দাখিলের প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং পিডিবির কাছ থেকে বকেয়া কর আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে। দুদক জানিয়েছে, অভিযোগ যাচাই ও অনুসন্ধান-তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে; প্রমাণের আগে কাউকে অপরাধী ধরা হচ্ছে না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।